নির্বাচনে জঙ্গি হামলা হওয়ার ঘটনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে কেরাণীগঞ্জের ঘটনার পর পুরো বাংলাদেশে তাদের নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনী প্রচারণায় তাদের হামলার পরিকল্পনা ছিল, যা সফল হয়নি।কোনো ভোটকেন্দ্র মব করে দখলে নিয়ে সিল মারলে ঐ কেন্দ্রের ভোট বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। মঙ্গলবার সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ হুঁশিয়ারি দেন তিনি। কোনো কেন্দ্রে যদি মবের চেষ্টা করা হয়, তাহলে শুধু সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের ভোট নয় ঐ আসনের ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হবে বলেও জানান বাহারুল আলম।
আইজিপি বলেন, ‘নির্বাচন কেন্দ্র, ভ্রাম্যমাণ ও স্ট্রাইকিং ফোর্স– এই ৩টি স্তরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কাজ করবে ১ লাখ ৮৭ হাজার পুলিশ। আর ঝুঁকিপূর্ণ ২৪ হাজার কেন্দ্রে বডি ওর্ন ক্যামেরার পাশাপাশি থাকবে ড্রোন।’
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসেন পুলিশের মহাপরিদর্শক বাহারুল আলম। এবারের নির্বাচন পুলিশ সর্বকালের সবচাইতে নিরাপদ নির্বাচন নিশ্চিত করতে চায় জানিয়ে আইজিপি বলেন, ‘এবারের নির্বাচন পুলিশের জন্য সুযোগ, জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনার।’
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ২৪ হাজারের বেশি। আইজিপি জানান, ৯০ ভাগ কেন্দ্রে সিসিটিভি লাগানো হয়েছে।
পুলিশ প্রধান বাহারুল আলম বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ২৭ হাজার ৯৯৫ বৈধ অস্ত্র জমা পড়লেও বাইরে আছে প্রায় আড়াই হাজার অবৈধ অস্ত্র। তবে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় ৩ স্তরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভোটকেন্দ্রের পাশাপাশি ভ্রাম্যমান ও স্ট্রাইকিং ফোর্স থাকবে।’
আইজিপি আরও বলেন, ‘নির্বাচনে জঙ্গি হামলা হওয়ার ঘটনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে কেরাণীগঞ্জের ঘটনার পর পুরো বাংলাদেশে তাদের নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনী প্রচারণায় তাদের হামলার পরিকল্পনা ছিল, যা সফল হয়নি।’
রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকেই এবারের নির্বাচনে পুলিশ কাজ করবে বলে আশ্বস্থ করেছেন পুলিশ প্রধান।


