বিজিসি ট্রাস্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হোস্টেল থেকে এক ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে৷ নজরুল ইসলাম সায়েম উক্ত মেডিকেল কলেজের ২৩তম ব্যাচের ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন৷
আজ ৪ এপ্রিল বেলা ১২টা নাগাদ মেডিকেল কলেজের বয়েজ হোস্টেল-৩ এর নিজ কক্ষ থেকে নজরুজ ইসলাম সায়েম’র নিথর দেহ উদ্ধার করে বিজিসি ট্রান্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে৷ তাঁর বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার চরখিদিরপুর পৌরসভা ৯ নং ওয়ার্ডে৷ তিনি রওশন হেলথ সেন্টারের মালিকের একমাত্র সন্তান বলে জানা গেছে৷
এদিকে সায়েমের মৃত্যুর পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এটিকে আত্মহত্যা দাবী করে একাধিক পোস্ট দেখা গেছে৷ সেখানে দাবি করা হয়, কয়েকটি বিভাগের শিক্ষকদের আচরণ ও মেডিকেলে পড়ার চাপের কারণে দীর্ঘদিন ধরে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন সায়েম৷ সেই কারণে অতিরিক্ত ঘুমের ঔষধ খেয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন৷
তবে চন্দনাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইলিয়াছ খাঁন এখনই সময়কে জানিয়েছেন, বিজিসি ট্রাস্ট মেডিকেল কলেজের ঐ শিক্ষার্থীর মরদেহ তার হোস্টেলের সিংগেল রুমের কক্ষের দরজা ভেঙ্গে উদ্ধার করা হয়৷ সুরতহাল রিপোর্টে বাহির থেকে অস্বাভাবিক কিছু পাওয়া যায়নি৷ পরে শিক্ষার্থীর পরিবার এডিম কোর্টে আবেদন করে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ নিয়ে গেছে৷ যেহেতু দরজা ভেঙ্গে মরদেহ উদ্ধার হয়েছে তাই এই সংক্রান্তে আমাদের থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা রেকর্ড করা হয়েছে৷


