চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় চার বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় একদিনেই বাদী, ভুক্তভোগীসহ ৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন ট্রাইব্যুনাল।
বুধবার (১০ জুন) চট্টগ্রাম মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দা হাফসা ঝুমার এসব সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
এর আগে গত ৯ জুন মামলার একমাত্র আসামি মনির হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।
ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মাহমুদ-উল আলম চৌধুরী মারুফ বাংলানিউজকে বলেন, মামলায় মোট ১৩ জন সাক্ষী রয়েছেন।
এর মধ্যে বাদী, ভুক্তভোগী শিশু, তার নানা-নানিসহ ৯ জনের সাক্ষ্য একদিনেই গ্রহণ করা হয়েছে। বাকি সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেছেন আদালত।
মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ধারাবাহিকভাবে সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে।
এর আগে গত ৪ জুন আদালতের প্রসিকিউশন শাখায় অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
পুলিশ বলছে, ভুক্তভোগী শিশুর চিকিৎসা প্রতিবেদন, ডিএনএ রিপোর্ট, সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ভিত্তিতে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। মামলার একমাত্র আসামি মনির হোসেন (৩০), কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ঘারঘাটা এলাকার বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া এলাকার মিয়াখাননগরে বসবাস করছিলেন।
পুলিশ সূত্র জানায়, গত ২১ মে বিকেলে বাকলিয়া থানার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের নুর হোসেন চেয়ারম্যানঘাটা এলাকার বালুরমাঠ-সংলগ্ন একটি গুদামকক্ষে চার বছর বয়সী শিশুটিকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা মেহেদী হাসান বাদী হয়ে বাকলিয়া থানায় মামলা করেন।


