চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম প্রকাশ বার্মা সাইফুলকে আটক করা হয়েছে।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল তাকে হেফাজতে নেয় বলে দাবি করেছেন সাইফুলের ছোট ভাই সাইফুলের ভাই ছাত্রদল নেতা ও জুলাই যোদ্ধা মো. শাহীন। তবে এ বিষয়ে সিএমপির পক্ষ থেকে এখনো কোনো কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করেননি।
এ বিষয়ে সাইফুলের ভাই ছাত্রদল নেতা ও জুলাই যোদ্ধা মো. শাহীন অভিযোগ করে এখনই সময়কে বলেন, আমার ভাইয়ের একটি পা নেই৷ কিছুদিন পূর্বে বাথরুমে পড়ে গিয়ে তিনি মাথা ও পায়ে আঘাত পায়। চিকিৎসার উদ্দেশ্যে জন্য ভাইয়া ঢাকায় গিয়েছিলেন। সেখানে আজ (১২ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের ডিবির সদস্য পরিচয়ে কিছু লোক তাকে তুলে নিয়ে যায়।

জানা গেছে গতকাল নিজের জীবনের নিরাপত্তাহীতার কথা উল্লেখ করে ফেসবুকে একটি রিল শেয়ার করেন সাইফুল৷ সাইফুলের পারিবারিক সূত্র বলছে, তার সাথে যারা ছিলেন তাদের সবার নাম্বারই বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে৷ পরিবারের আশংকা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে একটি দলের চক্ষুশূলে পরিণত হয়েছিলেন সাইফুল৷ সাবেক ছাত্রদল নেতা সাইফুল চট্টগ্রামের রাজনীতিতে প্রয়াত আব্দুল্লাহ আল নোমানের অনুসারী হিসেবে পরিচিত৷ আসন্ন নির্বাচনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাঈল আল নোমানের পক্ষে চট্টগ্রাম-১০ আসনের নিজ এলাকায় কাজ করছিলেন৷
এ বিষয়ে নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (গণমাধ্যম) আমিনুর রশিদ এখনই সময়কে বলেছেন, বিষয়টি সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিক ভাবে আমি কিছু অবগত নই৷
তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে সিএমপি’র একটি সূত্র এখনই সময়কে বলেন, সাইফুলের বিরুদ্ধে অনেক মামলা রয়েছে কিছু মামলায় পুলিশের গ্রেফতারি পরোয়ানাও আছে৷ তার কাছে বিপুল অস্ত্র ও একাধিক কিশোর গ্যাং সহ সন্ত্রাসী বাহিনী আছে৷ মূলত তার অস্ত্র ভান্ডার উদ্ধার ও অন্যান্য সহযোগীদের আইনের আওতায় আনার জন্য এই মূহুর্তে কৌশলগত কারণে নীরবতা পালন করছে পুলিশ৷


