back to top
রবিবার, জুলাই ১২, ২০২৬
Single Page Top Banner

সিডিএ’র প্রকৌশলীকে টার্গেট করে চলছে অপপ্রচার : সংবাদের প্রতিবাদ

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ হাসানকে জড়িয়ে কিছু গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এসকল সংবাদকে মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত উল্লেখ করে প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন তিনি৷ একই সাথে দুদক’র মামলার প্রসঙ্গে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন প্রকৌশলী মোহাম্মদ হাসান৷

তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে স্পেশাল মামলা নং-৪১/২০১২ ও ৪৩/২০১২ ২(দুই) টি মামলা হয় ।

উক্ত প্রকল্পে আমি মাত্র ১০(দশ) দিন দায়িত্ব পালন করি। ২(দুই) টি মাত্র ১ম রানিং বিলে সই করি। যেহেতু প্রকল্পটি সরকারের একটি জন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প ছিল। রাষ্ট্রিয় স্বার্থে উক্ত ১ম রানিং ২(দুই) টি বিলে স্বাক্ষর করি। ১০(দশ) দিন দায়িত্ব পালনের কারনে কাজ দেখার সুযোগ হয়নি। আমাকে বিল প্রদানের জন্য বলা হলে নিম্নলিখিত নোট লিখে কাজের স্বার্থে বিলটি অগ্রবতী করি।

তিনি জানান, আমার দেয়া নোট টি ছিল- “০৮-০৬-২০০৮ ইং তারিখ দায়িত্ব প্রদান করা হয়। সাইট পরিদর্শনে দেখা যায় ইতিপূর্বে ঠিকাদার কর্তৃক কাজ সমাপ্ত। পূর্বে কার সহকারী প্রকৌশলী ও নির্বাহী প্রকৌশলীর তত্ত্বাবধানে উক্ত কাজ সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে উপ-সহকারী প্রকৌশলীর প্রত্যয়নের ভিক্তিতে ঠিকাদার কর্তৃক আবেদিত ১ম চলামান বিল পরিশোধের বিষয় অগ্রগতি করা হল”।

এখানে তিনি উল্লেখ করেন যে, ৪১/১২ নং মামলার ১ম রানিং বিলটির পরিমান ছিল ২,৩৮,৩৪৭/-(দুই লক্ষ আটত্রিশ হাজার তিনশত সাতচল্লিশ) টাকা যাতে ৫২,৫৭৫.৬০/- (বায়ান্ন হাজার পাঁচশত পচাত্তর টাকা ষাট পয়সা) ও ৪৩/১২ নং মামলার ১ম রানিং বিলটির পরিমান ছিল ২,৬০,৯৫৪/ (দুই লক্ষ ষাট হাজার নয়শত চুয়ান্ন টাকা) যাতে ৬৪,৪৪১.৭০ (চুষট্টি হাজার চার শত এক চল্লিশ টাকা সত্তর পয়সা) আত্মসাতের অভিযোগে এনে ঠিকাদার সহ চউকের চার প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে মামলার দায়ের করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, দুদক যখন পূণঃ পরিমাপ করেন কিভাবে কার্পেটিং এর নিচে Sub base, Sub Grade পরিমাপ করে কম পায় তা আমার প্রকৌশল জ্ঞানে বুঝে আসে না।

তিনি আক্ষেপ করে বলেন, প্রকৃত ঘটনা হল বিএনপি সরকারে প্রকল্প বিধায় দুদক আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রতি হিংসায় মামলা দায়ের করেন। যার কারনে বিগত সরকারের আমলে বারবার দরখাস্ত করেও শুনাণী করাতে পারিনি। বর্তমানে সরকারের আমলে অবশ্যই ভিক্তিহীন, উদ্দেশ্য প্রণেদিত হওয়া মামলা ২(দুই) টি ন্যায় বিচার পাবো বলে আশা করছি। উক্ত প্রকল্পে ২২ (বাইশ) টি মামলা করেন দুদক । একই প্রকল্পে একাধিক মামলা হওয়া ৩ (তিন) জন প্রকৌশলী বর্তমানে তত্ত্ববধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে ও অন্যারা নির্বাহী প্রকৌশলী ও জিওবির অর্থায়নে পরিচালিত গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও কারো বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহন না করে প্রতিহিংসা মূলক ভাবে আমাকে ইতিপূর্বে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। যাহা মহামন্য হাইকেটি উক্ত বিষয় বিবেচনায় এনে আমার মামলায় স্থিতি আদেশ প্রদান করেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে কিছু নামহীন সাংবাদিক নামধারী ব্যক্তি প্রকৃত ঘটনা না জেনে কারো লিখে দেওয়া ভিত্তিহীন নিউজের মাধ্যমে আমাকে হেয় প্রতিপন্য করার কুমানসে বিভিন্ন পেইজে লিখছেন আমি তার তীব্র প্রতিবাদ জানাই।

- Advertisement -spot_img
  • পঠিত
  • সর্বশেষ

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত