back to top
রবিবার, জানুয়ারি ২৫, ২০২৬
Single Page Top Banner

বিমানের টিকিট কারসাজিতে ১০টি চক্র শনাক্ত

অনলাইন ডেস্ক:

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসে টিকিট জালিয়াতি ও নিয়মবহির্ভূত কার্যক্রমে জড়িত ১০টি চক্র শনাক্ত করেছে কর্তৃপক্ষ। বিমানের নিজস্ব তদন্তে যাত্রীদের ভুয়া তথ্য ব্যবহার করে টিকিট ইস্যু, কয়েক দফা হাতবদল এবং বড় ধরনের আর্থিক অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাবসায়িক কার্যক্রম স্থগিতসহ কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের রাজস্ব শাখার ডেপুটি ম্যানেজার সাজ্জাদুল ইসলামের সই করা ২৩ ডিসেম্বরের এক চিঠিতে বলা হয়, বিমানের রেভিনিউ ইন্টেগ্রিটি ও আইবিই রেভিনিউ শাখার নিয়মিত মনিটরিংয়ে গত ২৩ ডিসেম্বর টিকিট ইস্যু ও পেমেন্ট প্যাটার্নে অস্বাভাবিকতা ধরা পড়ে।

এরপর একটি বিশেষ তদন্তদল গঠন করা হয়। তদন্তে দেখা যায়, কিছু ট্রাভেল এজেন্ট বিমানের আইটি সিস্টেমের সীমাবদ্ধতা ও নীতিগত দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে অননুমোদিতভাবে টিকিট ইস্যু করছিল। এই জালিয়াতি প্রক্রিয়ায় টিকিট সংগ্রহ থেকে চূড়ান্ত ইস্যু পর্যন্ত তিন-চারবার হাতবদল হতো, যার ফলে সাধারণ যাত্রীদের টিকিটের জন্য অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হতো। সূত্র জানায়, তদন্তে জালিয়াতি চক্রের মূল হোতা হিসেবে ‘বন ভয়েজ ট্রাভেলস অ্যান্ড ওভারসিজ’কে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এ ছাড়া তাদের সহযোগী সাব-এজেন্ট, গাইবান্ধাভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠান এবং ইডেন ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলস ও ক্রিয়েটিভ ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলসের সঙ্গে বিমানের সব ধরনের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। মোট চারটি ট্রাভেল এজেন্সি, ছয় ব্যক্তিসহ এই সংগঠিত চক্রের আইএটিএ আইডি ও ইনভেন্টরি অ্যাকসেস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
বিমানের রাজস্ব বিভাগ জানিয়েছে, এ ধরনের জালিয়াতি সংস্থার আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সুনামও ক্ষুণ্ন করে। তাই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

- Advertisement -spot_img
  • পঠিত
  • সর্বশেষ

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত