আপিল শুনানিতেও দ্বৈত নাগরিত্বের কারণে চট্টগ্রাম-৯ আসনে জামায়াতে ইসলামীর একেএম ফজলুল হকের বাতিল হওয়া প্রার্থিতা ফিরে পাওয়া যায়নি।
সোমবার নির্বাচন কমিশনের আপিল শুনানিতে ফজলুল হকের প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার আবেদন নামঞ্জুর হয়। এখন প্রার্থিতা পেতে আদালতে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন ফজলুল।
সকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে দিনের শুনানি চলছে। এদিন ১৪১-২১০ নম্বর আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া শুনানি চলবে বিকাল ৫টা পর্যন্ত।
রোববার শুনানিতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ছাড়ার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হন ফজলুল হক। তাই এ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বিভাগীয় কমিশনার জিয়া উদ্দিন তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। এরপর শুনানিতে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত বহাল রাখে নির্বাচন কমিশন।
শুনানি শেষে ফজলুল হক বলেন, “আমার প্রতি বৈষম্য হয়েছে। বিএনপির অনেক প্রার্থীকে দ্বৈত নাগরিকত্বের মধ্যে কাগজপত্র সাবমিট না করেও মনোনয়নপত্র বৈধ করেছে। রিটার্নিং অফিসারের মত নির্বাচন কমিশনও আমার প্রার্থিতা দেয়নি। এখন আইনজীবীর সাথে কথা বলে আদালতে যাওয়ার ব্যাপারে পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।”
এ আসনে বিএনপির প্রার্থী দলের দক্ষিণ জেলার সাবেক আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান। জামায়াত-বিএনপির প্রার্থীসহ মোট ১২ জন এ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন।
ফজলুল হকের যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব থাকলেও গত ২৮ ডিসেম্বর তিনি তা ত্যাগ করেছেন বলে হলফনামায় দাবি করেছিলেন।


