রাজনৈতিক কারণে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় চলমান ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেয়নি বাংলাদেশ দল। মেগা ইভেন্টে অনুপস্থিত থাকায় র্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে পড়া এবং আগামী বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার সুযোগ হারানো নিয়ে বড় ধরনের শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তবে সব শঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে ২০২৮ সালে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে লাল-সবুজের দল।
আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, ২০ দলের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ১২টি দল সরাসরি খেলার সুযোগ পায়। এর মধ্যে দুই আয়োজক দেশ এবং চলতি বিশ্বকাপের সুপার এইটে ওঠা দলগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে জায়গা করে নেয়। বাকি তিনটি স্থান পূরণ করা হয় আইসিসি টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে।
বুধবার কলম্বোয় নামিবিয়াকে হারিয়ে পাকিস্তান সুপার এইটে পা রাখলে ২০২৮ আসরের সমীকরণ চূড়ান্ত হয়। সুপার এইটে জায়গা করে নেয়া সাত দল (ভারত, শ্রীলঙ্কা, জিম্বাবুয়ে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও পাকিস্তান) এবং দুই আয়োজক (অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড) মিলিয়ে ৯টি দল ইতিমধ্যে নিশ্চিত হয়েছে। বাকি তিনটি খালি জায়গার জন্য র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকা দলগুলোর ওপর নজর ছিল আইসিসির।
আইসিসি জানিয়েছে, ২০২৮ বিশ্বকাপের জন্য র্যাঙ্কিংয়ের সময়সীমা ধরা হয়েছে আগামী ৯ মার্চ (চলমান বিশ্বকাপের ফাইনালের পরদিন) পর্যন্ত। বর্তমান র্যাঙ্কিং অনুযায়ী, সুপার এইটের বাইরে থাকা দলগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ (৯ম), আফগানিস্তান (১০ম) এবং আয়ারল্যান্ড (১২তম) সবার উপরে অবস্থান করছে।
৯ মার্চের আগে আন্তর্জাতিক সূচিতে আর কোনো টি-টোয়েন্টি ম্যাচ না থাকায় এই তিনটি দলের র্যাঙ্কিং পরিবর্তনের কোনো সম্ভাবনা নেই। ফলে র্যাঙ্কিংয়ের কোটায় বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ডের অংশগ্রহণ এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।


