গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ৬০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানান পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস। এদিকে বুধবারও (২৯ এপ্রিল) বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে নগরীর বেশকিছু এলাকা, যার ফলে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কর্মকর্তা মাহমুদুল আলম জানান, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। এর প্রভাবে চট্টগ্রামসহ উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে।
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
মূলত বায়ুচাপের পার্থক্যের কারণে সমুদ্র উত্তাল থাকায় এই বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
এদিকে বৃষ্টির ফলে মুরাদপুর, দুই নম্বর গেট, কাতালগঞ্জ সহ বেশ কিছু নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এমন বর্ষণ চলবে আরও ৪ দিন, অর্থাৎ শনিবার পর্যন্ত সারা দেশে ঝরবে বৃষ্টি। কোথাও কোথাও দমকা ও ঝড়ো হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকাবে। ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট এই তিন বিভাগের ভারি বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। শনিবারের পর বৃষ্টি কমে আসবে এবং সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়বে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, চলমান লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।


