চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও থানায় দায়ের হওয়া চাঁদাবাজির মামলায় (মামলা নং ০৬(০৯)২০২৪) কারাগারে গেলেন মঞ্জুরুল হক (৬৪)।
নগরীর মৌলভী পুকুর পাড় এলাকার মৃত মাহমুদুর রহমানের ছেলে মঞ্জুরুল হকের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর চান্দগাঁও থানায় মামলাটি দায়ের করেন কুয়েত প্রবাসী আজাদ হোসেন৷
বাদী পক্ষের আইনজীবী এড. কফিল উদ্দিন বলেন, “আমার মক্কেল দীর্ঘ ৩১ বছর যাবৎ প্রবাসী৷ তিনি প্রবাসে থাকাবস্থায় তার মালিকানাধীন “আজাদ কলোনী” তে এলাকার চিহ্নিত ভূমিদস্যু মঞ্জুরুল হকের নেতৃত্বে মোঃ জিয়াউর হক ফয়সাল, মুকিদুল হক ও মোঃ হারুন ২০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করেন৷ ”
তিনি আরও বলেন, “চান্দগাঁও থানা পুলিশ দীর্ঘ তদন্তের পর গত ২৪/০১/২৬ ইংরেজী আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন প্রদান করেন৷ ইতিপূর্বে আসামী গত ১৭/৯/২০২৪ ইং তারিখে আদালতে বাদির সাথে দেওয়ানী মামলা আছে মর্মে অসত্য তথ্য দিয়া চার্জশীট না আসা পর্যন্ত অস্থায়ী জামিন লাভ করেন৷ গত ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ সালে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে মর্মে আদালতে চার্জশীট জমা দেয়া হলেও রহস্য জনক কারণে সেটি আদালতে উপস্থাপন না করে সময় ক্ষেপন করতে থাকে৷ আজ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চার্জশীট উপস্থাপন করা হলে বাদি পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত প্রধান অভিযুক্ত মঞ্জুরুল হকের জামিন আবেদন বাতিল করে তাকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন৷”
মামলার বাদি প্রবাসী আজাদ হোসেন বলেন,”আমি একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধা৷ জীবনের ৩১টি বছর প্রবাসে কাটিয়ে আমি তিল তিল করে আমার ক্রয়কৃত সম্পত্তিতে একটি কলোনী নির্মান করি যেখানে ৩৪টি পরিনার বসবাস করছে৷ মঞ্জুরুল হক ও তার সঙ্গিরা দীর্ঘদিন যাবৎ চাঁদার জন্য আমাকে নানা ভাবে হুমকি ধমকি প্রদান করে৷ একটি মহলের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তারা এই অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে৷ সেই মহলের চাপে আমার মামলার চার্জশীট বিলম্বে আদালতে উপস্থাপন হয়। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আশাকরি অন্যান্য আসামীদের জামিনও আদালত বাতিল করে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করবে৷


