২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ের পর আইসিসি ইভেন্টে নেই সফলতা। এবার বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ অস্ট্রেলিয়া খেলছে ট্রাভিস হেড, মিচেল মার্শ, প্যাট কামিন্স, জশ হ্যাজলউডদের মতো তারকাদের ছাড়াই। আজ মিরপুরে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বৃষ্টি আইনে ৫ উইকেটে হারিয়ে ঐতিহাসিক সিরিজ জিতলো বাংলাদেশ।
লক্ষ্য খুব বড় ছিল না। কার্টেল ওভারের ম্যাচে জিততে হলে ৪১ ওভারে বাংলাদেশের দরকার ছিল ১৯২ রান। তবে ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেও ঘাম ঝরেছে বাংলাদেশের।
ইনিংসের প্রথম বলে অজি পেসার জাভিয়ের বার্টলেট তানজিদ তামিমের প্যাডে বল লাগান। জোরালো আবেদন হলেও আম্পায়ার তা নাকচ করে দেন। তবে পরের বলেই ফিরতি ক্যাচ দিয়ে বসেন তামিম (০)।
ওই ওভারের শেষ বলে আরও একটি উইকেট হারাতে পারতো বাংলাদেশ। নাজমুল হোসেন শান্তর প্যাডে লাগলে আঙুল তুলে দিয়েছিলেন আম্পায়ার। রিভিউ নিয়ে জীবন পান শান্ত।
এরপর সৌম্য সরকার আর শান্ত ৯৩ বলে ৮৬ রানের জুটি গড়েন। কিন্তু ফিফটি করতে পারেননি কেউই। শান্ত-সৌম্য দুইজনই আউট হন সমান ৪২ রান করে। সেট হয়ে আউট হন লিটন দাস আর মোসাদ্দেক হোসেন। লিটন ২১ আর মোসাদ্দেক করেন ১৫ রান। ১৪৪ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ।
সেখান থেকে মেহেদী হাসান মিরাজ আর তাওহীদ হৃদয় ম্যাচ বের করে নিয়ে আসেন। ছক্কা মেরে ম্যাচ শেষ করেন মিরাজ। ২২ বলে করেন ২২। অন্যদিকে ৯৫ বলে ৪০ রানে অপরাজিত থাকেন হৃদয়।
এর আগে বৃষ্টি নামার আগে বৃহস্পতিবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিং করতে নামা অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ছিল ৪২ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৮৭ রান। অজিদের শেষ ভরসা মার্নাস লাবুশানে ব্যাটিংয়ে ছিলেন ৫৫ রানে। অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস সেখানেই থেমেছে। প্রায় দুই ঘণ্টারও বেশি সময় পর খেলা শুরু হলে বাংলাদেশকে ৪১ ওভারে লক্ষ্য দেওয়া হয় ১৯২ রানের।
মিরপুরে টস জিতে ব্যাটিং করতে নেমে অস্ট্রেলিয়ার শুরুটা হয় দুঃস্বপ্নের মতো। ইনিংসের তৃতীয় বলে তাসকিন আহমেদের ভেতরে ঢোকা ডেলিভারি ছেড়ে দিয়ে বোল্ড হন ম্যাথু শর্ট। পরের ওভারে মোস্তাফিজুর রহমান দেন জোড়া ধাক্কা। একে একে তুলে নেন কুপার কোলোনি এবং ম্যাট রেনশোর উইকেট।
দুইটি উইকেটেই ক্যাচ ধরেছেন উইকেটরক্ষক লিটন কুমার দাস। ০ রানে ৩ উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে প্রথম রান যোগ হয় অস্ট্রেলিয়ার স্কোরবোর্ডে, সেটাও আসে নো বল থেকে।


