চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন ঘোষণা দিয়েছিলেন মার্চ মাস থেকে ডোর টু ডোর ময়লা সংগ্রহের জন্য নগরবাসীকে আলাদা করে কোনো টাকা দিতে হবে না। চসিকের নিজস্ব পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের মাধ্যমে বিনামূল্যে এই সেবা প্রদান করার ঘোষণা দিলেও বেশকিছু এলাকায় মেয়রের ঘোষণাকে রীতিমতো বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বর্জ্য অপসারণের জন্য বাসা বাড়ি থেকে নেওয়া হচ্ছে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা।
অভিযোগ উঠেছে টাকা দিয়েও সেবা পাচ্ছেন না চসিক এর ৭ নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের মোহাম্মদপুরের তৈয়ববাগ আবাসিক এলাকার বাসিন্দারা। বাসাবাড়ির সামনে ময়লা জমে স্তূপ তৈরি হয়ে বাড়ছে দুর্গন্ধ ও জনদুর্ভোগ।
এ ব্যাপারে তৈয়ববাগ আবাসিকের এক বাসিন্দা জানান, চসিকের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা কখনই এই এলাকা থেকে ময়লা নিয়ে যায়না। আস্থা ওয়েষ্ট কালেকশন নামের একটি প্রতিষ্ঠান আগে প্রতিটি বাসা থেকে ৭৫ টাকা করে নিয়ে বর্জ্য অপসারণ করলেও বর্তমানে বাসা প্রতি ১০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। তবে, এখন টাকা দিয়েও বর্জ্য অপসারণ সেবা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ তুলেন ঐ এলাকার একাধিক বাসিন্দা।
অভিযোগের বিষয়ে চসিক এর ৭ নং ওয়ার্ডের সুপারভাইজার ফাহিমুল হাসানের কাছ থেকে জানতে চাইলে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। আলাপের একপর্যায়ে জানা যায় তৈয়ববাগ আবাসিক এলাকাটি কোথায় তাও সুপারভাইজার চিনেন না।
সুপারভাইজারের অজ্ঞতা ও তৈয়ববাগের জমে থাকা আবর্জনার বিষয়ে চসিকের উপ প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মাকে জানানো হলে তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নিবেন এবং আবর্জনার বিষয়েও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলেও জানান তিনি।
তথ্য সংগ্রহ শেষে জানা যায়, প্রথমবারের মতো ঐ এলাকা থেকে চসিকের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা ময়লা আবর্জনা অপসারণ করা শুরু করে, এক ট্রাক বর্জ্য নিয়ে যায়।


