back to top
মঙ্গলবার, জুন ২৩, ২০২৬
Single Page Top Banner

পাঁচলাইশ থানার অভিযানে ছিনতাইকৃত ১৩ লাখ টাকা সহ গ্রেপ্তার ২

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ মডেল থানা পুলিশের অভিযানে ছিনতাইকৃত ২১ লাখ টাকার মধ্যে ১৩ লাখ টাকা উদ্ধার এবং ঘটনায় জড়িত দুই ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গত ১৫ জুন সকালে জিইসি মোড়ের সেন্ট্রাল শপিং কমপ্লেক্সে অবস্থিত একটি মোবাইল ফোনের দোকানের কর্মচারী মো. সালাহ উদ্দীন চৌধুরী লিটন ও মোহাম্মদ রাতুল হাসান ব্যবসায়িক কাজে ইউসিবি ব্যাংক থেকে মোট ৫৬ লাখ টাকা উত্তোলন করেন। এর মধ্যে লিটনের কাছে ছিল ২১ লাখ টাকা এবং রাতুলের কাছে ছিল ৩৫ লাখ টাকা।

ব্যাংক থেকে বের হয়ে চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্সের সামনে পৌঁছালে চারজন দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্রের মুখে তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় লিটনের কাছ থেকে ২১ লাখ টাকা ভর্তি ব্যাগ ছিনিয়ে নেয় তারা। বাধা দিতে গেলে তাকে ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত করা হয়। অন্যদিকে রাতুল ৩৫ লাখ টাকা ভর্তি ব্যাগ নিয়ে দ্রুত শপিং কমপ্লেক্সের ভেতরে আশ্রয় নেওয়ায় সেই টাকা রক্ষা পায়।

ঘটনার পর পাঁচলাইশ মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হলে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, ঘটনার সঙ্গে ভুক্তভোগী প্রতিষ্ঠানের দুই কর্মচারী জড়িত থাকতে পারেন।

পরবর্তীতে অভিযানে সেন্ট্রাল শপিং কমপ্লেক্সের একটি দোকান থেকে সাইমন বাছার ও তার বড় ভাই রুয়েল বাছারকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের দাবি, দোকান মালিকের প্রতি ক্ষোভ থেকে তারা পরিকল্পিতভাবে ছিনতাইয়ের তথ্য বাহিরের সহযোগীদের কাছে সরবরাহ করেন। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চারজন ছিনতাইকারী ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলনের পরপরই হামলা চালিয়ে ২১ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয়।

গ্রেফতার দুই ভাইয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ছিনতাইকৃত টাকার মধ্যে ৮ লাখ টাকা অন্য সহযোগীদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়। বাকি ১৩ লাখ টাকা দোকানের ভল্টে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।

পরে তাদের দেখানো মতে সেন্ট্রাল শপিং কমপ্লেক্সের দোকানের ভল্ট থেকে ১৩ লাখ টাকা উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধারকৃত টাকার মধ্যে ১০ লাখ টাকা এক হাজার টাকার নোট এবং ৩ লাখ টাকা একশ টাকার নোট ছিল।

পাঁচলাইশ মডেল থানার পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধারকৃত অর্থ আদালতের মাধ্যমে প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

- Advertisement -spot_img
  • পঠিত
  • সর্বশেষ

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত