back to top
সোমবার, জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
Single Page Top Banner

সড়ক দখল করে অবকাঠামো নির্মানের অভিযোগ

“মেয়রকে ডেভেলপার ১০ লাখ টাকা দিছে” : চসিকের সৌন্দর্য বর্ধনের অবকাঠামো ভাংচুর

চট্টগ্রাম ব্যুরো ।

চট্টগ্রাম নগরীর ১৭ নং ওয়ার্ড পশ্চিম বাকলিয়ার জনবহুল খালপাড় এলাকায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক)’র সৌন্দর্য বর্ধনের অবকাঠামো ভাংচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসময় একটি লাইভ ভিডিওতে ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে চসিক মেয়রেকে ১০ লক্ষ টাকা দেয়ার অভিযোগ তুলেন রসুল বাগ সমাজ কল্যান পরিষদের সভাপতি আসাদ উল্লাহ।

জানা গেছে, নগরীর পশ্চিম বাকলিয়া খালপাড়ে বাসা-বাড়ি, মসজিদ ও কবরস্থানের চলাচলের রাস্তায় এলাকার রসুলবাগ আবাসিক সমাজ কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে ময়লা আবর্জনার স্তূপ পরিণত করার ফলে এলাকার পরিবেশ দূষণ ও স্বাস্থ্য ঝুঁকির বিষয়ে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়রের নজরে আনা হলে, পরিবেশ সুরক্ষা, স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা বিবেচনা করে চসিক মেয়র ক্লিন, গ্রীন, হেলদি ও সেইফ সিটি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে উক্ত এলাকায় ময়লা আবর্জনা ফেলার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন।

এরই ধারাবাহিকতায়, চসিক’র পরিচ্ছন্নতা বিভাগ উক্ত স্থানে সৌন্দর্য বর্ধনের অবকাঠামো নির্মাণ কাজ শুরু করে। ১৫ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় রসুলবাগ আবাসিক সমাজ কল্যাণ পরিষদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে চসিক’র বিরুদ্ধে সড়ক দখলের অভিযোগ তোলা হয়৷ এক পর্যায়ে নির্মানাধীন সৌন্দর্য বর্ধনের অবকাঠামো গুলো ভাংচুর করে বলে অভিযোগ উঠেছে৷ এতে এলাকার সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে।

জানা গেছে, ঘটনার সময় বিষয়টি চসিক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সোয়েব আহমেদকে অবহিত করলে বাকলিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে আসার আগে ভাংচুরকারীরা স্থান ত্যাগ করেন ।

এই ঘটনার সময় একটি ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে ১৫/১৬ বছর আগের স্থাপিত একটি ডাস্টবিন উচ্ছেদ করে সড়কের জায়গায় অবকাঠামো নির্মানের অভিযোগ তুলে ধরেন দুই ব্যক্তি। এসময় ফেসবুক লাইভে নিজেকে রসুল বাগ সমাজ কল্যান পরিষদের সভাপতি আসাদ উল্লাহ পরিচয় দিয়ে বলেন, “আমরা বিভিন্ন সূত্র খবর পেয়েছি ডেভেলপার দশ লাখ টাকা দিয়েছে।” এসময় কাকে দিয়েছে প্রশ্ন করা হলে আসাদ উল্লাহ বলেন, “মেয়রকে (চসিক মেয়র) দিছে অথবা বাদশা (স্থানীয় যুবদল নেতা) এরকম কাউকে দিছে।” যদিও ফেসবুক লাইভ ভিডিওটি পরবর্তিতে ডিলিট করে দেয়া হলেও ততক্ষনে এটি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে৷

এই বিষয়ে চসিক মেয়রের ব্যক্তিগত সহকারী চসিক (চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন) মারুফুল হক চৌধুরী মারুফের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, যেহেতু মেয়র মহোদয় দেশে আছেন তাই এই বিষয়ে সরাসরি উনার বক্তব্য নিলে ভালো হয়৷ পরবর্তিতে তার আরেক ব্যক্তিগত সহকারী জিয়াউদ্দিন জিয়ার সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করলে তিনি কল রিসিভ করেননি৷ মুঠোফোনে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়ে বিষয়টি জানানো হলেও তিনি কোন জবাব দেননি৷

অন্যদিকে রসুলবাগ আবাসিক সমাজ কল্যান পরিষদের সভাপতির সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

- Advertisement -spot_img
  • পঠিত
  • সর্বশেষ

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত