ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসির চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শওকত আলী চৌধুরীকে গ্রেপ্তারের যে তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে, তা সম্পূর্ণ গুজব বলে দাবি করেছে তার পরিবার।
গতকাল (বুধবার) রাতে বিভিন্ন অনলাইন গণমাধ্যমে শওকত আলী ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন—এমন খবর প্রকাশ পায়।
তবে আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে শওকত আলীর ভাই লিয়াকত আলী মুঠোফোনে গণমাধ্যমকে জানান, উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে তার ভাইয়ের সম্মানহানি এবং ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার লক্ষ্যে একটি পক্ষ মিথ্যা তথ্য দিয়ে গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করছে। লিয়াকত আলী জানান, শওকত আলী চৌধুরী ভালো আছেন এবং নিরাপদে আছেন৷
একাধিক সূত্র বলছে, বর্তমানে ব্যাংকিং সেক্টরে যখন গ্রাহক সন্তুষ্টি বিরাজ করছে৷ অনেক বেসরকারী ব্যাংককে গ্রাহকগণ লেনদেনে বিপাকে পড়ছেন তখন ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি নিয়মিত গ্রাহণ সেবা স্বাভাবিক রাখতে সক্ষম হয়েছে। ব্যাংকিং সেক্টরে চরম আস্থার সংকটকালীন মূহুর্তে ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি কেবল গ্রাহকদের আস্থাই ধরে রাখেনি বরং ব্যাংকিং সূচকে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে৷ যা সম্ভব হয়েছে ব্যাংকটির সুযোগ্য চেয়ারম্যান শওকত আলী চৌধুরীর দূরদর্শী চিন্তা ও সৎ নেতৃত্বের কারনে৷ অথচ একটি মহল সেই ইমেজ নষ্ট করতে পরিকল্পিত ভাবে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে৷
উল্লেখ্য, ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসির চেয়ারম্যান পদে থাকা শওকত আলী চৌধুরী আশির দশক থেকে বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। এ দেশের একজন দায়িত্বপূর্ণ নাগরিক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের মাধ্যমে অর্থনীতিতে অবদান রেখে আসছেন৷ দেশের ব্যাংকিং, বীমা, শিপ রিসাইক্লিং, চা, সিরামিক্স, আবাসন, লজিস্টিক্স ইত্যাদি ব্যবসায়ে আমার বিনিয়োগ রয়েছে। ৪০ বছরের বেশি ব্যবসায়িক জীবনে তাঁর বিরুদ্ধে একটি টাকাও আত্মসাৎ করা তো দূরের কথা, কোনো ব্যাংকে কোনো ঋণ এক দিনের জন্যও ওভারভিউ হয়নি এবং কোনো সময়ে পুনঃতফসিলিকরণও চাইনি। এমনকি কখনো কোনো ব্যাংকের কাছে সুদ মওকুফের জন্যও তিনি কখনো আবেদনও করিনি।
জানা গেছে, শওকত আলী চৌধুরী সব সময় প্রতিটি ব্যাংকের ঋণ ফেরতের নির্ধারিত সময়ের আগেই পরিশোধ করেছেন। যা দেশে একটি অনন্য উদাহারণ।
এনবিআর সূত্রে জানা গেছে শওকত আলী চৌধুরী, তাঁর স্ত্রী ও সন্তানদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান করবছর ২০১৩-২০১৪ থেকে ২০২৩-২০২৪ পর্যন্ত ১১ বছরে ১১বার সেরা করদাতা হিসেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক মনোনীত হয়ে পুরস্কৃত হয়েছে৷


