back to top
সোমবার, ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
Single Page Top Banner

চট্টগ্রাম নগরীতে সর্বোচ্চ ভোট ও ব্যবধানে জয়ী

মন্ত্রীসভার অন্যতম সদস্য হতে পারেন ক্লিন ইমেজের সাঈদ আল নোমান

বিশেষ প্রতিনিধি।

শেষ হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন৷ বিএনপি’র দূর্গ হিসেবে বিবেচিত চট্টগ্রামের ১৬টি আসনের মধ্যে ১৪টিতেই বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা। ইতিমধ্যে স্বিদ্ধান্ত হয়েছে ১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত ব্যক্তিদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। আর বিকেলে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ হবে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায়। সংবিধান অনুযায়ী, মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি।

এখন নানান সমিকরণ আর গুঞ্জন চলছে নতুন সরকারের মন্ত্রীসভা নিয়ে৷ চট্টগ্রাম জেলা থেকে যে কয়েকজনের নাম আলোচনার শীর্ষে তাঁদের মধ্যে একাধিক মাপকাঠিতে এগিয়ে আছেন প্রয়াত সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল নোমানের পুত্র সাঈদ আল নোমান৷ ইতিমধ্যে সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে চট্টগ্রাম নগরীর আসন গুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ভোট ও ব্যবধানে বিজয়ীও হয়েছেন তিনি৷ প্রথমবার ভোটের লড়াইয়ে নেমেই বাজিমাৎ করেছেন এই রাজনীতিবিদ।

বিশ্লেষকদের মতে সাঈদ আল নোমান কেবল বিপুল ভোটে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন সেই কারণেই নয় বরং তাঁর মাঝে যেমন আছে মন্ত্রী হওয়ার মতন অসাধারণ একাডেমিক ট্র্যাক রেকর্ড তেমনই আছে বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা৷ এছাড়াও রয়েছে একাডেমিক কাজের স্বীকৃতি এবং শক্তিশালী যোগাযোগ ও দরকষাকষির দক্ষতা। অসাধারণ ব্যক্তিত্বের অধিকারী এই রাজনীতিবিদের আকর্ষণীয় ও মার্জিত চারিত্রিক দিকটি ইতিমধ্যে সবার নজর কেড়েছে৷ এছাড়া নির্বাচনি প্রচারণায় দলীয় প্রধানের প্রতি আনুগত্য ও দেশের জন্য কিছু করার মনোভাব প্রদর্শন করেছে৷

নির্বাচনি প্রচারণায় “সবার আগে বাংলাদেশ” — শ্লোগানটিকে ধারণ করে ইস্পাত দৃঢ় নেতৃত্বগুণ এবং মানুষের প্রতি তিনি যে সহমর্মিতা দেখিয়েছেন, তা তাঁর আগামীর নেতৃত্বের পথকে আলোকিত করবে।

প্রয়াত সাবেক মন্ত্রী ও একাধিকবারের সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল নোমানের সাথে পুত্র সাঈদ আল নোমান৷

শিক্ষাগত যোগ্যতা বা পারিবারিক ঐতিহ্য—দুই দিক থেকেই তাঁর ভিত্তি বেশ শক্ত৷ তাঁর বাবা প্রয়াত আব্দুল্লাহ আল নোমান ছিলেন বিএনপি সরকারের তিনবার মন্ত্রী, যার যোগ্য উত্তরসূরী হিসেবে সাঈদ আল নোমান মন্ত্রীসভায় স্থান পাওয়াদের কাতারেই থাকবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে৷ ব্যক্তিগত উচ্চশিক্ষিত যোগ্যতা ও আন্তর্জাতিকভাবে সংযুক্ত নেতৃত্বের কথা উঠলে সাঈদ আল নোমান-এর নাম স্বাভাবিকভাবেই প্রথম সারিতে আসবে।

এই বিষয়ে সাঈদ আল নোমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিএনপি’র সম্মানিত চেয়ারম্যান, দেশ নায়ক তারেক রহমানের সার্বিক দিক নির্দেশনায় আজ আমি এতোদূর এসেছি৷ সুতরাং এই বিষয়ে আমার ব্যক্তিগত কোন বক্তব্য নেই৷ তিনি বলেন, আমি আমার প্রয়াত পিতাকে তিন তিনবার মন্ত্রী পদে দেখেছি৷ আপনারা যে মন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল নোমানকে এক দিক থেকে দেখেছেন আমি সেই ব্যক্তিটিকে গভীর ভাবে ধারণ করি৷ তিনি একহাতে চট্টগ্রাম নগর বিএনপি’র মতন গুরুত্বপূর্ণ স্থানের দ্বায়িত্ব পালন যেমন করেছেন একই সাথে আপোষহীন নেত্রী প্রয়াত বেগম জিয়ার মন্ত্রী সভার গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রনালয়ের দ্বায়িত্বও পালন করে গেছেন৷ সুতরাং মন্ত্রীত্ব বিষয়টাতে খুব একটা সহজ বিষয় তা কিন্তু নয়, অন্তত আমার বাবাকে দেখেছি তিনি তাঁর ওপর অর্পিত দ্বায়িত্বকে কিভাবে ঈমানদারিত্বের সাথে পালন করেছিলেন৷ সেই পিতার সন্তান হিসেবে দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে যে কোন দ্বায়িত্ব পালনকে আমিও শতভাগ নিষ্ঠা ও সততার সাথে পালনে সর্বদা প্রস্তুত ছিলাম, আছি এবং ইনশা আল্লাহ থাকবো৷

রাজনৈতিল বিশ্লেষকদের মতে দল ক্ষমতায় না থাকা অবস্থায় নানান প্রতিকূলতার মাঝে চট্টগ্রামে তার প্রতিষ্ঠিত বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়টি দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বিদ্যাপিঠে পরিণত হয়েছে৷ বাবার মৃত্যুর পর অতি অল্প সময়ে নিজ আসনে ভোটারদের মাঝে নিজেকে উজাড় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করা সাঈদ আল নোমান সুযোগ পেলে তাঁর মেধা ও অভিজ্ঞতার স্বাক্ষর রাখবে৷

- Advertisement -spot_img
  • পঠিত
  • সর্বশেষ

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত