উত্তাল মধ্যপ্রাচ্য ৷ রিতিমতন যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে বেশ ক’টি দেশে৷ এরই মধ্যে একাধিক বাংলাদেশী নিহতের খবরও নিশ্চিত হওয়া গেছে৷ এমনই একজন প্রবাসী আবুল মহসিন বাহরাইনে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষের হামলায় নিহত হন৷
আজ ৩ মার্চ (মঙ্গলবার) নিহত প্রবাসী আবুল মহসিনের পরিবারের সার্বিক খোঁজখবর নিতে তাঁর বাসভবনে ছুটে যান চট্টগ্রাম ১০ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান, যুগ্ম আহবায়ক শওকত আজম খাজা।
উল্লেখ্য, গত সোমবার (২ মার্চ ২০২৬) স্থানীয় সময় ভোর ৩:৩০ মিনিটের দিকে বাহরাইনের সালমান ইন্ডাস্ট্রিয়াল এরিয়ায় দায়িত্ব পালনকালে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ধ্বংস করা একটি ইরানি ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ তার মাথায় পড়লে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।
এসময় সাঈদ আল নোমান বলেন,“প্রবাসী বাংলাদেশি আবুল মহসিনের মর্মান্তিক অকাল মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। তাঁর একমাত্র মেয়ে তাসনিম তামান্নার সঙ্গে কথা বলেছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের পক্ষ থেকে তার পড়াশোনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছি।”
তিনি আরও জানান, “মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলেছি। আমাদের ভাই, রেমিট্যান্স যোদ্ধা মহসিনের মরদেহ যত দ্রুত সম্ভব যথাযথ মর্যাদায় দেশে আনার ব্যবস্থা করা হয়েছে।”
সাঈদ আল নোমান বলেন, “প্রবাসে কর্মরত আমাদের ভাইয়েরা দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি।তাদের ঘামে-রক্তে অর্জিত রেমিট্যান্স আমাদের উন্নয়নকে গতিশীল করছে। তাদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।তাদের অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।”
নাজিমুর রহমান বলেন, “মানবিক দায়িত্ববোধ থেকেই আমরা মহসিনের পরিবারের পাশে আছি,
আমরা নগর বিএনপির পক্ষ থেকে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই এবং বিএনপির পক্ষ থেকে যেকোনো প্রয়োজনে পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
এসময় বিএনপির স্থানীয় সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং নিহত আবুল মহসিনের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।


