জ্বালানি তেল আমদানিতে অতিরিক্ত ব্যয় হলেও তার প্রভাব দেশের সাধারণ মানুষের ওপর পড়বে না বলে আশ্বস্ত করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি জানান, বিশ্ববাজার থেকে বেশি দামে তেল কেনা হলেও সরকার তা ভোক্তা পর্যায়ে সরাসরি পৌঁছাতে দেবে না।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে সিলেটের বাসিয়া খাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সৌদি আরব থেকে অপেক্ষাকৃত উচ্চমূল্যে জ্বালানি আমদানির বিষয়ে জানতে চাইলে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, “বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশে তেল ও গ্যাসের মজুত বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে জ্বালানি খাতের অবকাঠামো উন্নয়নের কাজও দ্রুত এগিয়ে চলছে।”
আঞ্চলিক বাজারের তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ভারত, নেপাল ও পাকিস্তানের তুলনায় বাংলাদেশে বর্তমানে তেলের দাম কম। ফলে আমদানির এই বাড়তি খরচ দেশের সামগ্রিক মূল্যস্ফীতিতে নতুন করে কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না।
বৈশ্বিক অস্থিতিশীলতার কারণে জ্বালানি খাতে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, এ অবস্থা মোকাবিলায় সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জ্বালানি সংরক্ষণ সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে। এছাড়া এলএনজি আমদানি বাড়ানোর লক্ষ্যে জ্বালানি মন্ত্রণালয় খুব দ্রুতই নতুন টার্মিনাল নির্মাণের দরপত্র আহ্বান করবে।
এর আগে মন্ত্রী স্থানীয় বাসিয়া খালের বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন। আগামী ২ মে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই খালের খননকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।


