back to top
শুক্রবার, জুলাই ৩, ২০২৬
Single Page Top Banner

বিএসবিআরএ নির্বাচন ঠেকানোর শেষ চেষ্টা ব্যর্থ: ৪ জুলাই ভোটে আর কোনো বাধা নেই

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইক্লার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএসবিআরএ)-এর ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের বহুল আলোচিত নির্বাচনের ভোটের লড়াই গিয়ে ঠেকেছিল আইনি লড়াইয়ে। আইনের মারপ্যাঁচে আটকেও ছিল এই নির্বাচন৷ সর্বশেষ তারিখ নির্ধারিত ছিল আগামীকাল ৪ঠা জুলাই৷ সেই ভোট গ্রহণ বন্ধ করতে আবারও আইনের আশ্রয় নিতে চাইলেও এবার সেই সুবিধা পাননি ঋণ খেলাপির দায়ে নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আলোচিত প্রার্থী আমজাদ হোসেন চৌধুরী।

হাইকোর্টে আসন্ন নির্বাচন স্থগিতের আবেদন করলেও আদালত কোন স্থগিতাদেশ দেয়নি। ফলে আগামীকাল (৪ জুলাই) বহুল প্রত্যাশিত বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইক্লার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএসবিআরএ)-এর ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানে কোনো আইনি বাধা নেই।

আদালত-সংশ্লিষ্ট নথি থেকে জানা গেছে, আমজাদ হোসেন চৌধুরী নির্বাচন বোর্ডের ২৫ মে ২০২৬ তারিখের আদেশ এবং ২৯ জুন প্রকাশিত নির্বাচনী বিজ্ঞপ্তির কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে আদালতে সম্পূরক আবেদন করেন। তবে শুনানি শেষে হাইকোর্ট আবেদনটি রেকর্ডে রাখার নির্দেশ নিলেও উক্ত নির্বাচন স্থগিতের কোনো আদেশ দেননি। বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইক্লার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএসবিআরএ)-এর নির্বাচন বোর্ড সূত্র জানিয়েছে, এই সংক্রান্ত আইনজীবীর সার্টিফিকেটেও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিএসবিআরএ-২০২৬ নির্বাচন পরিচালনায় কোনো আইনি বাধা নেই।

উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে ঋণখেলাপি সংক্রান্ত বিষয়ে নির্বাচন বোর্ড আমজাদ হোসেন চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল করে। পরবর্তী আপিল ও বিচারিক প্রক্রিয়াতেও সেই সিদ্ধান্ত বহাল থাকে। ফলে তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ হারান।

নির্বাচন বোর্ড সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ধারাবাহিক আইনি প্রক্রিয়ার কারণে নির্বাচন বিলম্বিত হলেও আদালতের সর্বশেষ অবস্থানের পর এখন নির্বাচন আয়োজন ও ভোট গ্রহণে আর কোনো অনিশ্চয়তা নেই। নির্ধারিত তফসিল অনুযায়ী নির্বাচন আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইক্লার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএসবিআরএ)- এর একাধিক ভোটার ও প্রার্থীদের মতে দেশের একটি বাণিজ্যিক সংগঠনের নির্বাচনকে ঘিরে দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতা সদস্যদের মধ্যেক অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছিল। তবে আদালতের সর্বশেষ অবস্থান সেই অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়েছে।

আদালতের কোন আইনী বাঁধা না থাকলে আমজাদ হোসেন চৌধুরী ও তাঁর অনুসারীরা ভোট গ্রহণ মেনে নেবে কিনা এ নিয়ে অনেকের মাঝে কিছুটা শংকা থাকলেও সংগঠনটির সাথে সংশ্লিষ্টরা মনে করেছেন, সব ভেদাভেদ ভুলে আদালতের সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এখন সকলের উচিত বহুল প্রতিক্ষিত নির্বাচনটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হতে সহযোগিতা করা।

- Advertisement -spot_img
  • পঠিত
  • সর্বশেষ

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত