কুমিল্লার হোমনায় এক বিধবা ও অসহায় নারী’র জমি জবরদখলের অপচেষ্টা, নির্যাতন ও জীবননাশের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী নারী।
গতকাল মঙ্গলবার(৪আগস্ট) দুপুরে হোমনা পৌর সুপার মার্কেটের ৩য় তলায় এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ভুক্তভোগী
জলি বেগম (৫৯)।এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন তার ছোট ছেলে মো. নূর-এ আলম। সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে জলি বেগম জানান, তার স্বামী মৃত মোফাক্ষের আলী খান জীবিত থাকাবস্থায় ১৯৯৯ সালে দানপত্র দলিল (নং ৩৫৫৮/৯৬) মূলে চান্দেরচর মৌজার ১১ শতক ভূমি তাকে রেজিস্ট্রি করে দেন। উক্ত জমিতে দোকানঘর তুলে গত ৩০ বছর ধরে তিনি ভাড়া দিয়ে ভোগদখল করে আসছেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, স্বামীর প্রথম স্ত্রীর সন্তান নূর মোহাম্মদ জালিয়াতির মাধ্যমে উক্ত জমি নিজের নামে রেকর্ড করিয়ে নেন।বিষয়টি জানতে পেরে ২০২১ সালে জমিটির বিএস রেকর্ড সংশোধনের জন্য আদালতে
মামলা দায়ের করা হয়।পরবর্তীতে আদালত উক্ত জায়গায় স্থিতাবস্থা রক্ষা ও ১৪৫ ধারা জারি করলেও প্রতিপক্ষ তা অমান্য করে জবরদখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছে।
সংবাদ সম্মেলনে জলি বেগম আরও জানান, প্রতিপক্ষ নূর মোহাম্মদ ও তফাজ্জল হোসেন (মিষ্টার) জনতা ব্যাংক রামচন্দ্রপুর শাখার ম্যানেজার সহ তার সহযোগীরা পূর্বেও তার ওপর একাধিকবার হামলা চালিয়েছে। ২০১৯ সালে তাকে বেধড়ক পিটিয়ে হাত ভেঙে দেওয়া হলে তিনি থানায় মামলা দায়ের করেন।পরবর্তীতে ১ আগস্ট (২০২৬) সন্ধ্যায় চান্দেরচর চৌমুহনী বাজারে তার দোকানঘরের সাইনবোর্ড ভেঙে ফেলা হয় এবং দোকানপাটে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।এ বিষয়েও তিনি হোমনা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।


