চট্টগ্রাম ১০ আসনে বিএনপি মনোনীর ধানের শীষের প্রার্থী সাঈদ আল নোমান বলেছেন, আমি বিগত দুই বছর যাবৎ আমার নির্বাচনী এলাকার সার্ভে করে জনসাধারণের সমস্যা, সম্ভাবনা গুলোকে চিহ্নিত করেছি৷ সেই আলোকে আমার প্রথম উদ্যোগ হবে আমার সংসদীয় এলাকার প্রতিটি ওয়ার্ডে তরুণ ও যুব সমাজকে কর্মদক্ষ করে কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য একটি করে হাব তৈরী করা৷ বিদ্যমান সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোর মান উন্নয়নের পাশাপাশি সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বৃদ্ধি করে সবার জন্য সুশিক্ষা নিশ্চিত করা৷ বৃহত্তর হালিশহর-পাহাড়তলী ও খুলশী এলাকার জনসাধারণের জন্য সরকারী স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতে একটি হাসপাতাল নির্মান করাকে আমি আমার অগ্রাধীকার কাজের মধ্যে রেখেছি৷
তিনি শনিবার রাতে নগরীর একটি রেস্তোরায় চট্টগ্রামে কর্মরত মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকদের সাথে এক মত বিনিময় সভায় এ কথা বলেন৷
এক প্রশ্নের জবাবে সাইদ আল নোমান বলেন, আমার এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন, মশক নিয়ন্ত্রন ও ওয়াসার পানি জনসাধারণের কাছে পৌছে দিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সাথে সমন্বয় করে দ্রুত কার্যকারী সমাধান করতে ১ম দিন থেকেই কাজ করার অঙ্গিকার আমি করছি। আমার বিশ্বাস জনসাধারণের সমর্থন পেলে আমি জনদূর্ভোগ দূর করতে সর্বদা সচেষ্ট থাকবো ইনশা আল্লাহ আমি সেটি করতে সক্ষম হবো৷
এলাকার আইনশৃংখলা বিষয়ে তিনি বলেন, আমি নতুন প্রজন্মের হাতে অস্ত্র নয় কলম দেখতে চাই৷ কিশোর গ্যাং নয় কর্মঠ যুব সমাজ দেখতে চাই। আমি এটা বলতে পারি কোন সন্ত্রাস, কিশোর গ্যাং আমার এলাকা গুলোতে বসবাস করতে পারবে না৷ হয় তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে হবে অন্যথায় তাদের আইনের আওতায় আসতে হবে৷ আমার এলাকার জননিরাপত্তার প্রশ্নে আমার জিরো টলারেন্স নীতি অতীতের ন্যায় আগামীতেও আটল থাকবে৷

এসময় তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনার মতের সাথে আমার দ্বিমত থাকলেও আপনাদের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ ও প্রচারের জন্য আমিও আপনাদের সাথে যুদ্ধে নামতে প্রস্তুত৷ এসময় তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের আবাসন সমস্যা সমাধান প্রসঙ্গে বলেন, আমি জানিনা আল্লাহ আমাকে কতটুকু কাজ করার সুযোগ দেবেন৷ কিংবা ক্ষমতা দেবেন৷ তবে আমি কথা দিচ্ছি, যদি আমি দেশ নায়ক তারেক রহমানের সুযোগ্য নেতৃত্বে কাজ করার সুযোগ পাই এবং আমার পক্ষে যদি সম্ভব হয় তাহলে আগামীতে গণমাধ্যম কর্মীদের জন্য আবাসনের ব্যবস্থা গড়ার উদ্যোগ আমি নেবো৷ এই জন্যে তিনি সকল গণ মাধ্যম কর্মীদের সততা ও বস্তুনিষ্ঠতার সাথে তার পাশে থেকে সহায়তা করার আহবান জানান৷
আসন্ন নির্বাচন নিয়ে কোন শংকা কিংবা আশংকা করছেন কিনা জানতে চাইলে সাঈদ আল নোমান বলেন, গোয়াল পোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলেও ভয় পায়৷ আমাদের অবস্থা অনেকটা তেমনই৷ কারণ অতীতের দীর্ঘ সময় এই নির্বাচন নিয়ে আমাদের যে তিক্ত অভিজ্ঞতা তার ফলে কিছুটা শংকার উদয় ঘটালেও আশাকরি এবারের নির্বাচন সেই অতীতের কালো অধ্যায় মুছে নতুন উজ্বল ইতিহাস সৃষ্টি করবে৷
পরিশেষে তিনি সকল সম্মানিত ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা সকল ভোটারগণ সকাল সকাল ভোট কেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোটটি প্রদান করে আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মানে ভূমিকা রাখবেন৷ আপনাদের ভোটের ঋণ আমাদের কর্মের মাধ্যমে শোধ করার সুযোগ দেবেন৷


