back to top
বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬
Single Page Top Banner

পিলখানার ঘটনা ছিল দেশের সার্বভৌমত্ব নস্যাতের অপপ্রয়াস: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ:

২০০৯ সালে পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হন ৫৭ সেনা কর্মকর্তা। আর এই দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনা ও উপস্থিতিতে আয়োজন করা হয় মতবিনিময় সভা। এসময় উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সেনা প্রধানসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। উপস্থিত ছিলেন শহিদ পরিবারের সদস্যরাও। এসময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানান, পিলখানা হত্যাকাণ্ড ছিল দেশের সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার অপপ্রয়াস। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী জানান, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের স্মৃতি অম্লান করে রাখতে বর্তমান সরকার কাজ করবে।

জাতীয় ‘শহিদ সেনা দিবস’ উপলক্ষে আজ (বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা সেনানিবাসে পিলখানায় সেনা হত্যাকাণ্ডে শহিদ পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময় ও ইফতার অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এসময় শহিদ পরিবারের সদস্যরা এতো বছরেও বিচার না পাওয়ার আক্ষেপ করেন।

মেজর সালেহর সহধর্মিণী নাসরীন আহমেদ বলেন, ‘১৭ বছর ট্রমা এখনো কাটিয়ে উঠতে পারিনি। বিচারের দাবি জানিয়েছি বারবার। কিন্তু এত বছরেও বিচার না পাওয়ার আক্ষেপ আছে।’

সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ‘২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারির মত আর কোনো দিন পুনরাবৃত্তি না ঘটে সে বিষয়ে আমরা বদ্ধপরিকর। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌম রক্ষা করতে সব সময় কাজ করবে সেনাবাহিনী ও সীমান্ত রক্ষীবাহিনী।’
অনুষ্ঠানে তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনের কিছু অংশ তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
তিনি বলেন, ‘পিলখানা ঘটনা কোনো সাধারণ ঘটনা নয়। এই শহিদদের যথাযথ মর্যাদা সরকার দেবে। পিলখানা হত্যার ঘটনার তদন্ত কমিশনের রিপোর্টের গুরুত্বপূর্ণ অংশ প্রকাশের ব্যবস্থা করতে পারি। জাতীয় শহিদ সেনা দিবসটি সি থেকে এ গ্রেডে উন্নতি করা যায় কি না সে বিষয়ে পর্যালোচনা করা হবে।’

- Advertisement -spot_img
  • পঠিত
  • সর্বশেষ

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত