নগরের পতেঙ্গায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ৬ টন ডিজেল জব্দ করেছে প্রশাসন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান চালানো হয়। তবে এলাকাবাসি বলছে এই তেলের ডিপোতে দীর্ঘদিন যাবৎ চোরাই তেল কেনা বেচা হয়ে আসছে৷
শুক্রবার (২৭ মার্চ) কমিশনার ঘাটা এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, অভিযানটি পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুব্রত হালদার। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এবং বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা যৌথভাবে এই অভিযানে অংশগ্রহণ করেন। তবে অভিযান পরিচালনাকালে ঘটনাস্থলে কোনো আসামি পাওয়া যায়নি।
অভিযানে ৩০টি ড্রামে অবৈধভাবে মজুদ করা আনুমানিক ৬ হাজার লিটার (৬ টন) ডিজেল উদ্ধার করা হয়। তবে তেল গুলো জনৈক আলমগীরের বলে জানা গেছে৷
উদ্ধারকৃত তেল বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে সংরক্ষিত রয়েছে এবং এ ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, সমুদ্রগামী জাহাজ ও তেল ডিপো থেকে জ্বালানি তেল পরিবহনের সময় একটি অসাধু চক্র অবৈধভাবে জ্বালানি তেল অপসারণ করে তা বিভিন্ন স্থানীয় বিক্রেতার কাছে সরবরাহ করে থাকে।
জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখা এবং অবৈধ মজুদ প্রতিরোধের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। বর্তমানে সব তেল ডিপো, পেট্রল পাম্প ও সংশ্লিষ্ট তেল কারবারিরা প্রশাসনের কঠোর নজরদারির আওতায় রয়েছে।
এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।


