back to top
শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬
Single Page Top Banner

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ‘সরস্বতী জ্ঞান মন্দির’ উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের দর্শন এবং আমাদের নেতা তারেক রহমানের রংধনু জাতি গঠনের প্রত্যয়ের বাস্তব প্রতিফলন আমরা হাটহাজারীতে দেখতে পাই বলেছেন, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।

আজ শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়(চবি) ক্যাম্পাসে ‘সরস্বতী জ্ঞান মন্দির’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, এই হাটহাজারী সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ। এখানে সব ধর্ম, বর্ণ ও গোত্রের মানুষ অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করছে এবং এলাকার উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করছে। মন্দির, মসজিদ, প্যাগোডা কিংবা গির্জা-যেকোনো ধর্মীয় স্থাপনার উন্নয়ন বা সংস্কারে এখানে সব ধর্মের মানুষই এগিয়ে আসে। এমনকি আমি যেসব মন্দির বা শ্মশান সংস্কারের প্রস্তাব পেয়েছি, সেগুলো কেবল সংশ্লিষ্ট কমিটি থেকে নয়, বরং সাধারণ এলাকাবাসীর পক্ষ থেকেই এসেছে।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, আমি অসাম্প্রদায়িক কথাটা বিশ্বাস করি না। বাংলাদেশের সংবিধানে প্রত্যেকটি নাগরিকের অধিকার সমান-কারো বেশি নয়, কারো কম নয়।সংখ্যালঘু, সংখ্যাগরিষ্ঠ বা সাম্প্রদায়িক-এই শব্দগুলো ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই। এগুলো ব্যবহার করা মানে কোথাও একটা সমস্যা আছে ধরে নেওয়া। আমরা সবাই সমান নাগরিক, এটিই আমাদের মূল পরিচয় হওয়া উচিত।

চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল ফোরকানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার এবং মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার। আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান এবং উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন। এছাড়া অদুল-অনিতা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান অদুল কান্তি চৌধুরী ও কো-চেয়ারম্যান অনিতা চৌধুরীও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

উল্লেখ বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে প্রায় সাড়ে তিন হাজার সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছেন। ২০১১ সালে সনাতন ধর্ম পরিষদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে চবির উত্তর ক্যাম্পাস এলাকায় প্রায় ২০ হাজার বর্গফুট জমিতে কেন্দ্রীয় মন্দির নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১২ সালে এটি বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটে পাশ হয়। এরপর অদুল-অনিতা ট্রাস্টের অর্থায়নে নির্মিত এই মন্দিরের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয় ২০১৯ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি।

- Advertisement -spot_img
  • পঠিত
  • সর্বশেষ

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত