চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিলের রায়ের পর সীতাকুণ্ডে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে তার সমর্থকরা।
তবে এলাকার বাসিন্দা ও নেতাকর্মীদের হতাশ না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আসলাম চৌধুরী।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকাল ৩টা থেকে মহাসড়কের ছোটো দারোগারহাট এলাকায় তার অনুসারীরা অবরোধ করে বিক্ষোভ করে। এসময় সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে ও গাছের গুঁড়ি ফেলে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। সড়ক অবরোধের কারণে উভয় দিকে প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকায় যানজট সৃষ্টি হয়।
এর আগে সকালে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা অবৈধ ঘোষণা করে তা বাতিলের চূড়ান্ত রায় দেন।
আদালতের রায়ের পর আইনজীবীরা জানান, এখন চট্টগ্রাম-৪ আসনে পুনর্নির্বাচন হবে, নাকি জামায়াতের প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিকীকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে, তা আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর জানা যাবে।
এ খবর এলাকায় পৌঁছালে ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা সীতাকুণ্ডের ছোটো দারোগারহাট এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে ওই মহাসড়কে যান চলাচল বিঘ্নিত হয়।
এরই মধ্যে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে নেতাকর্মীদের হতাশ না হওয়ার আহ্বান জানান আসলাম চৌধুরী। পোস্টে একটি সংবাদমাধ্যমের ফটো কার্ড যুক্ত করে তিনি দাবি করেন, অ্যাটর্নি জেনারেলের ভাষ্যমতে ওই আসনে পুনর্নির্বাচন হলে তার প্রার্থিতায় কোনো আইনি বাধা থাকবে না।
বিএনপির কয়েকজন নেতা জানান, আসলাম চৌধুরী দলের দুর্দিনের ত্যাগী নেতা। জনগণের ভোটে তিনি সীতাকুণ্ডে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে এ রায় আমরা মানি না। অবিলম্বে উনার এমপি পদ ফিরিয়ে দিতে হবে।
সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম বলেন, ‘মহাসড়কের ছোটো দারোগাহাট এলাকায় অবরোধের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। সড়কে ফেলা গাছ সরানো হচ্ছে। আশা করছি যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যাবে।’


